Skip to main content

Posts

Showing posts with the label bangla kobita

আরো আরো ঝরো ------- মেহেদী হাসান তামিম

আরো আরো ঝরো ------- মেহেদী হাসান তামিম ছিল খুব প্রয়োজন এমনি এক জাগতিক বর্ষণ জগতের পরতেপরতে ক্রমে জমেছে যে পাপ আলিঙ্গন। যায়না মোছা তা, যায়না ধোওয়া অন্তর ভাসে শুধু, পাপহর নদীতেই করে অবগাহন। আরো জোরে ঝরো তুমি, ঝরো ক্রমাগত ভাসিয়ে দাও জমেছে মনের অন্ধকারে কালিমা যত ঝরে ঝরে - জাগাও জীবন জ্বালাও তুমি, প্রেমের সে বহ্নিশিখাই শুধু জ্বালো। এই বৃষ্টিদিনের রাত্রিতে ২০ অক্টোবর, ঢাকা।

ছেরিস্লোক ---- মেহেদী হাসান তামিম

ছেরিস্লোক মেহেদী হাসান তামিম এ ছেরি, তোর নাকের ডগায় দেখছি বিন্দুবিন্দু ঘাম সকাল বিকাল ঠিকমতো যপিস তোর ইশ্বরের নাম? এ ছেরি, ভাতারকে ভালোবাসিসতো দিয়ে তোর জান হোক অনিচ্ছা তোর, মিটাস তো মনমতো তার কাম? এ ছেরি,শাশুড়ির মাথাতে দিসতো নিয়ম করে তেল শ্বশুর ফিরলে ঘরে, বানাসতো ঠান্ডা শরবত-এ-বেল? এ ছেরি,তোর ননদকে ঠিকমতো করিসতো সম্মান শরীর খারাপ করলেও রাঁধবি, রাখতে ভাসুরের মান। এ ছেরি, এতক্ষণ! কেমনতর মেয়েমানুষ বল দেখিনি মাত্রতো একভার তরিতরকারি করিস যে বেচাকিনি? এ ছেরি, দশবাড়ী দুধ দিতেই তো শেষ করিস দুপুর, নোংরা কাপড়গুলো আনবে কে ধুঁয়ে, গিয়ে পুকুর? এ ছেরি, কামচুন্নি তোরযে দেখি দিন নাই রাত নাই সুযোগ পেলে বিছানায় পড়ে ফালতু গা এলানো চাই! এ ছেরি, সারাদিন যদি এমনভাবে করিস শুধু শুই শুই ছাদে গিয়ে কাপড়গুলো কে তুলবে, কে উঠবে মই? এ ছেরি, সময় কিন্তু তোর ভীষণ কম, মাত্র ২৪ ঘন্টা পুরো সময় করবি কাজ রাখতে চাইলে সব্বার মনটা। এ ছেরি, তোর মাথা তো দেখি হয়েছে পুরাই খারাপ কিসের আবার ছুটি! শিখায়নি তোকে কিছু তোর বাপ?

গদ্যকবিতা -- ♣ বরষা নামল বুঝি! ♣ -- মেহেদী হাসান তামিম

গদ্যকবিতা ♣ বরষা নামল বুঝি! ♣ মেহেদী হাসান তামিম জানো কষ্ট কি! কষ্ট নিয়ে আর কি বলি। কষ্ট উহ, কষ্ট আহা। কষ্ট ভোগায়, না ভাগে। কষ্ট বিবর্ণ, কষ্ট তিক্ত, নীল, কষ্ট বিশ্রী। কষ্ট ভীষণ রকমে কষ্ট, কি যে কুৎসিত মায়াবতী।তোমার জন্য সন্ধ্যাছটা, মৃন্ময়ী অব্যয়ী শরৎ। আমার তরে অবিরাম কাদামাখা বরষাকাল, স্নিগ্ধ সকালে খুব হুট করে নামা অজর বর্ষণ, জলধারা শ্রাবণ কখনো প্লাবন। কষ্ট নিভৃতচারী, থাকে বাঁধা। সে কাদাখোঁচা কাদাজল । দগদগে, থকথকে। মনের অজান্তে শরীরে রি রি তোলা জ্বালাতন, যায়না তাকে কভু এঢ়ানো, চায়না যেতে সে ছেড়ে। আমার মধ্যিখানে এ বর্ষাবসান নয়তো দু'মাস পরে, আজন্ম একান্তচারী সঙ্গীনি, যেন ছায়াসাথী। ছায়ারাও করে অভিমান রাতবিরাতের আধারে মাঝেমাঝে, যায় পালিয়ে। বর্ষা তো যায়না, কাদা যে যায়না। থাকে স্লেটকালো অন্ধকারে, থাকে আরো বেশী। সময়ে থাকে, অসময়ে আসে বেশীবেশী। সে নশ্বর চিরবিবাগী। সদা বিরাগী বছরবছর। কতবার সে সফেনের কাছে পর্যন্ত পৌঁছেছি! খুব কাছাকাছি। চাইলে হয়তবা এক লাফে ছোঁয়াও ছিল সম্ভব। সব সম্ভাবনা হয় খুন, হয় উদ্ধত খুনে ফেরারী। সম্ভাবনা ভেঙে কী স্পষ্টতায় 'সম্ভব' ও 'না' দুটি অক্ষর প্রপঞ্...

?!?! ( হন্তারক চিহ্ন) -----মেহেদী হাসান তামিম

কে যেন! সে যেন সে ই তো! সে ই। সে আসে যায়! কে যায়! সে ই যেন সে ই তো! সে চলে যায় কেন তার এ আসা যাওয়া যাওয়া, যাওয়া শুধু আর মাঝেমাঝে আসা! কে তাকে খায় ! দ্বিধা ? দ্বিধা ই হবে। দ্বিধাই তো। দ্বিধা ই হায় দ্বিধা। #কবিতায়_খেলা

বুদ্ধ তোমার শরণ নিলাম♣ - মেহেদী হাসান তামিম

এক. বুদ্ধং শরণং গচ্ছামি - আমি বুদ্ধের শরণ নিলাম। ধম্মং শরণং গচ্ছামি - আমি ধর্মের শরণ নিলাম। সঙ্ঘং শরণং গচ্ছামি - আমি সঙ্ঘের শরণ নিলাম। লুম্বিনি কানন, শুভ বৈশাখী পূর্ণিমা তিথি তীর্থ কপিলাবাস্তুর রাজা শুদ্ধোধনের পুত্রজন্ম সিদ্ধার্থ মা রানি মহামায়া সাতদিন বাদ করিলে দেহত্যাগ সৎমা মহাপ্রজাপতি গৌতমী হাতে লালন-পালন এটাই তো তাঁর হেতুমূল গৌতম বুদ্ধ নামকরণ। কপিলাবাস্তু নগরীতে প্রবেশিলেন সন্ন্যাসী কপিল ভবিষ্যৎবানী গৌতম হবে সিদ্ধার্থ লভিবেন নির্বাণ অথবা দিগবিজয়ী মহারাজা নয়তবা মানব মহান। রাজকন্যা যশোধরাসাথ হল যে বিবাহ বয়স যখন ষোল রাজার আশ উদাসীন পুত্র বিবাহে হবে সংসারসক্ত পুত রাহুল এমনকি চার ঋতুর প্রাসাদেও নিরাসক্তি তার পারেনা রুখতে সিদ্ধার্থে যা পিতৃরাজের চিন্তাপাহাড়। সন্ন্যাসী সারথি ছন্দক সাথে দৈবচক্রে দেখা সিদ্ধার্থে দেখালেন সে সাধু তাকে জগৎসংসার যে দুঃখময়, মর্মোদ্ভেদ সিদ্ধার্থর মায়া রাজ্য সম্পদ কিছুই স্থায়ী নয়। বয়স যখন উনত্রিশ দুঃখোৎস খোঁজে করেন গৃহত্যাগ ভ্রমি দূর বুদ্ধগয়ায় বসিলেন বছরছয় সাধনা কঠোর বোধিবৃক্ষতলে নিরন্তর তপস্যাসাধনে লাভ বোধিজ্ঞান পরম সম্পদ সে বুদ...